Showing posts with label দেশীয় পন্য. Show all posts
Showing posts with label দেশীয় পন্য. Show all posts

Thursday, September 15, 2022

সরিষার তেলের জাদুকরী উপকারিতা

সরিষার তেলের জাদুকরী উপকারিতা

 সরিষার তেলের উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন। এ তেল দিয়ে শুধু ত্বকই নয়- হৃৎপন্ড, পেশি, গাঁটের সমস্যা পর্যন্ত দূর করা যায়। সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং সহজেই হজমকারক।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শ্বাসনালি এবং মূত্রনালি ও ব্রঙ্কাইটিস ইনফেকশন সারাতে সরিষার তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ তেলে রোগের জীবাণু ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। এর উপাদান শরীর ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং ফুসফুস ও বৃহদান্ত্রের প্রয়োজনীয় জীবাণুকে কোনোরকম ক্ষতি না করেই কিডনির মাধ্যমে তা নিষ্কাশিত করে দেয়।

সরিষার তেলের অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি ক্ষতিকারক সংক্রমণ থেকে হজমশক্তিকে রক্ষা করে। সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩, ওমেগা ৫ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ই শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর মান সরবরাহ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

সরিষার তেলের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া-

কাশি এবং সর্দি হ্রাস করতে সহায়তা করে: প্রাচীনকাল থেকেই সরিষার তেল কাশি, সর্দি এবং অন্যান্য শ্বাস প্রশ্বাসের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে ব্যবহৃত হয়। সরিষার তেল দিয়ে স্টিম নিলে তা শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। সরিষার তেল সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ইমিউনিটি বুস্টার হিসাবে কাজ করে: সরিষার তেলের ঝাঁঝালো উপাদান শ্লেষ্মা এবং অবরুদ্ধ সাইনাস পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। রসুন ও লবঙ্গ দিয়ে সরিষার তেল গরম করে পা এবং বুকে মালিশ করলে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

লোহিত রক্তকণিকা শক্তিশালী করে: প্লাজমা, কোষের লিপিডস এবং কোষের ঝিল্লির উপাদান হিসাবে বিভিন্ন জৈবিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদনের জন্য আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চর্বিগুলোর একটি প্রধান উৎস সরিষার তেল। এই তেল কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে এবং লোহিত রক্তকণিকার ঝিল্লি গঠনের উন্নতি করে।

কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ প্রভাব: গবেষণায় দেখা গেছে যে, সরিষার তেল খেলে অ্যারিথমিয়াস, হার্ট ফেইলিও এবং এনজাইনা হ্রাস পেয়েছে। কার্ডিওভাসকুলার ডিজঅর্ডারে আক্রান্তদের জন্য সরিষার তেল স্বাস্থ্যকর হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি ট্রাইগ্লিসারাইড, রক্তচাপ এবং প্রদাহ কমাতেও সহায়তা করে।

জয়েন্টে ব্যথা এবং বাত থেকে মুক্তি দেয়: সরিষার তেল নিয়মিত মালিশ করলে তা পেশী এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩ আর্থ্রাইটিসের কারণে সৃষ্ট কঠোরতা এবং ব্যথা কমাতে সহায়তা করে।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

Saturday, September 10, 2022

সরিষার তেলের জানা-অজানা উপকারিতা

সরিষার তেলের জানা-অজানা উপকারিতা

 ওজন কমাতে  আমরা খাবারের দিকে গুরুত্ব দিলেও কোন তেল দিয়ে রান্না করা হচ্ছে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায় অনেক সময়। আমরা যে তেলে রান্না করি তাতে স্যাচুরেটেড এবং আনস্যাচুরেটেড, দু ধরনের ফ্যাট থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের শরীরের জন্য খারাপ হলেও, আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট কিন্তু শরীরের উপকার করে। সেই হিসেবে শরীরের ভালোর জন্য সরিষা তেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরিষার তেলের বদলে রিফাইন্ড ভেজেটেবল অয়েল ব্যবহার করেন অনেকই। কিন্তু বাঙালির রান্নাঘরে সরিষা তেলের ঝাঁঝই মানানসই। শুধু তাই না পুষ্টিবিদরাও সরিষার তেলের গুণের কথা বলছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘানি থেকে আনা সরিষার তেল স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্যে খুবই ভালো।

বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হল করোনারি হার্ট ডিজিজ । আর রান্নার তেলের কারণে এই হার্টের রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়ে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত যা কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

যেভাবে সরিষার তেল ওজন কমায়?

সরিষার তেলের রান্না হার্ট, হাড়, হজম এবং স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এতে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই তেল ডিপ ফ্রাই, খাবার গরম এবং খাবারে অনন্য স্বাদ আনতে কার্যকর। যারা পেটের সমস্যায় ভোগেন বা যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করা উচিত। এই তেল হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর দ্রুত খাবার হজম হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ফ্যাটের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে সরিষার তেল

সরিষার তেলের কড়া ঝাঁঝের জন্য আজকাল অনেকে ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু এতে আছে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড কেবল খাবারের স্বাদই উন্নত করে না, রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে।

সরিষার তেলের উপকারিতা

১. সরিষার তেলে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।

২.এ ছাড়া এটি ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

৩.সরিষা তেলের ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্যোর কারণে তা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।

৪. সরিষা তেল জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৫.ত্বকের যত্নেও সরিষা তেল অতুলনীয়।

যেকোন ধরণের রান্নায় আস্তে আস্তে সরিষা তেল ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলুন।  তবে ভাজা জাতীয় খাবারে সরিষার তেল এড়িয়ে চলা উচিত।


সরিষার তেলের ১৩টি উপকারিতা যা অনেকেরই অজানা

সরিষার তেলের ১৩টি উপকারিতা যা অনেকেরই অজানা

 বাজারে সয়াবিন তেলের আবির্ভাবের পর আমরা অনেকেই সরিষার তেলের উপকারিতার কথা ভুলে গেছি। অথচ এক সময় সরিষার তেলই ছিল আমাদের রান্নার প্রধান উপকরণ। এখনও সরিষা বা সরিষার তেল প্রতিটি বাড়ির রান্না ঘরেই রয়েছে যা – রান্নায়, ভর্তা বানাতে এমনকি মালিশের কাজেও ব্যবহৃত হয়। ভারতীয় উপমহাদেশে এই তেলের ব্যবহার অতি প্রাচীন। ৩০০০ খৃষ্টপূর্ব আগে থেকে ভারতে চিকিৎসা শাস্ত্রে সরিষার তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সরিষা দানা পিষে সরিষার তেল তৈরি করা হয়। এর রঙ ঘন লালচে হলুদ এবং এর গন্ধ ঝাঁঝালো।

খাঁটি ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল স্বাস্থ্য উপকারি। সরিষার তেল অনেক বছর ধরেই খারাপ তেলের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল কিন্তু এখন এটা অনেকেই ব্যবহার করছেন। এমনকি নিউ ইয়র্কের খুব জনপ্রিয় কিছু রেস্টুরেন্টের শেফ এই তেল ব্যবহার করছেন।

সরিষার তেলে কি আছে?

সরিষার তেল মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (Monounsaturated fat) এবং প্রদাহ বিরোধী (anti-inflammatory) উপাদানে সমৃদ্ধ। এছাড়াও সরিষার তেল মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (Monounsaturated fat) ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড, এন্টি অক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থে ভরপুর। এতে খুব অল্প পরিমানে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি রয়েছে।

১০০ গ্রাম সরিষার তেলে আছেঃ

স্যাচুরেটেড ফ্যাট                  ১২ গ্রাম

পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট    ২১ গ্রাম

মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট   ৫৯ গ্রাম

কিভাবে এই তেল তৈরি হয়?

এই তেল ২ উপায়ে তৈরি হয়

১। কাচ্চি ঘানি (Cold pressed)

এই প্রক্রিয়ায় সরিষার দানা সরাসরি পিষে এ থেকে তেল বের করা হয় এই তেল হয় খুব ঘন এবং ঝাঁঝযুক্ত। এই তেল সবচেয়ে বেশী স্বাস্থ্য উপকারী। এটা হজম শক্তি বাড়ায়, হৃদপিন্ড ভাল রাখে, চুল গজানোয় সাহায্য করে এবং শরীরের মাংশ শক্ত হয়ে যাওয়া (muscle stiffness) রোধ করে।

২। এসেনশিয়াল অয়েল (Mustard Essential oil)

এই পদ্ধতিতে পেষা সরিষার দানার সাথে পানি, ভিনেগার অথবা অন্য কোন তরল মিশিয়ে বানানো হয়। এই তেল হয় অনেক পাতলা। সরিষার দানায় মাইরোসিনেইস (Myrosinase) এবং সিনিগ্রিন (Sinigrin) নামে দ’টি উপাদান আছে। পানিতে ভিজিয়ে রাখার ফলে এই দু’টি উপাদান বিষাক্ত কম্পাউন্ড সৃষ্টি করে। তাই এই ধরণের তেল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সরিষার তেলের ১৩টি উপকারিতা

১। হজম প্রক্রিয়া

সরিষার তেল হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে এবং মেটাবলিক রেট বৃদ্ধি করে।

২। সরিষার তেল ব্যথা কমায়

সরিষার তেলে থাকা প্রদাহ বিরোধী (Anti-inflammatory) উপাদান ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। হাঁটুর ব্যথা, অন্যান্য জয়েন্টের ব্যথা, আর্থ্রাইটিস (বাত) এবং রিউম্যাটিক এর ব্যথাও দূর করে।

৩। ক্যান্সার রোধ

এই তেলে থাকা গ্লুকোসিনোলেট (Glucosinolate) নামক উপাদান মলাশয় ক্যান্সার এবং অন্ত্রের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে।

৪। সরিষার তেল ফুসফুস পরিষ্কার রাখে

সরিষার তেল এক ধরণের ডিকঞ্জেস্টেন্ট বা শ্বাসতন্ত্র পরিষ্কারক। এই তেলের সাথে রসুন মিশিয়ে বুকে ও পিঠে লাগালে কফজনিত সমস্যার সমাধান হয়।

এই মুহূর্তের ট্রেন্ডিং আর্টিকেলগুলো

৫। হৃদিপিন্ড সুস্থ রাখে সরিষার তেল

সরিষার তেলে থাকা মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ভাল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ক’রে হৃদরোগের ঝুঁকি ৭০% কমিয়ে আনতে পারে।

৬। এজমা রোগে সরিষার তেল

এজমা এটাক (Asthma attack) হলে সরিষার তেল বুকে ঘষলে শ্বাস নেয়ার ক্ষমতা বেড়ে যায়। সবসময় এর ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

৭। ত্বক ও চুলের যত্নে সরিষার তেল

শীতের সময় এই তেল ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয় এবং শরীর গরম থাকে। এই তেলের ব্যাক্টেরিয়া এবং ফাঙ্গাস বিরোধী গুণাগুণ ত্বক ও চুলকে উজ্জ্বল করে তুলে। এই তেল ব্যবহার করলে ত্বক কখনই কালো হয় না বরং ত্বকের টোনের উন্নতি হয়।

৮। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাভিতে কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল দিলে সুফল পাওয়া যায়।

৯। স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও চেতনার উন্নয়নে

সরিষার তেল স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও চেতনার উন্নয়নে সহায়তা করে।

১০। মাসিকের ব্যথা

মেয়েদের মাসিকের ব্যথা এবং গ্যাস ও বদহজম জনিত পেটের ব্যথায় সরিষার তেল পেটে মালিশ করলে সুফল পাওয়া যায়।

১১। পোকামাকড় এবং মশা তাড়ানো

পোকামাকড় এবং মশা তাড়ানোর জন্য ঔষধ হিসাবে সরিষার তেল ব্যবহৃত হয়। এর গন্ধে পোকামাকড় কাছে ঘেঁষে না।

১২। ওজন কমাতে সরিষার তেল

রিবোফ্ল্যাভিন (Riboflavin) ও নায়াসিন (Niacin) সমৃদ্ধ সরিষার তেল শরীরে মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

১৩। দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায়

সুস্থ দাঁত ও জিঞ্জাভাইটিস ও পেরিওডন্টাইটিস রোগ প্রতিরোধে সরিষার তেল সহায়ক।

১/২ চা চামচ সরিষার তেল + ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া + ১/২ চা চামচ লবন মিশিয়ে দাঁত ও মাড়িতে হালকা করে দু’বেলা ঘষুন।

সতর্কতা

সরিষার তেলে থাকা ইরিউসিক এসিড (erucic acid) -এর কারনে রান্নার কাজে এই তেল যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপে ব্যবহার নিষিদ্ধ। তবে এটা বাহ্যিক ব্যবহার যেমন মালিশের জন্য এসব দেশে নিষিদ্ধ নয়।

শেষ কথা

বাজারে পাওয়া সব তেলের মধ্যে সরিষার তেল সব থেকে বেশী স্বাস্থ্যকর। তবে এটা হতে হবে খাঁটি ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল বা কোল্ড প্রেসড (cold pressed)। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের দেশগুলিতে নিষিদ্ধ হলেও সরিষার তেল অন্যান্য দেশ বিশেষ করে এশিয়ার সর্বত্র রান্নার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। ইদানিং অনেকেই সয়াবিন তেলের পরিবর্তে খাঁটি ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল ব্যবহার করা শুরু করেছেন।


Friday, September 9, 2022

ত্বকের পরিচর্যায় প্রয়োজন সরিষার তেল

ত্বকের পরিচর্যায় প্রয়োজন সরিষার তেল

 রান্না কিংবা ভর্তায় সরিষার তেল ছাড়া কোন গতি নেই।

এমনকি চুলের যত্নেও চাই একদম খাঁটি সরিষার তেল। কিন্তু ত্বকের যত্নে সরিষার তেলের ব্যবহার তেমনটা নেই বললেই চলে। ভীষণ উপকারী এই প্রাকৃতিক তেলে থাকা ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-ই, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের জন্য চমৎকার কাজ করে। তবে ত্বকের জন্য সরিষা তেল কার্যকরি এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্মের জন্য।

ত্বকের ইনফেকশন দূর করতে সরিষার তেল

ত্বকের যেকোন ধরণের ইনফেকশনজনিত সমস্যায় সরিষার তেলের এই স্ক্রাবটি ব্যাবহার করলে দ্রুত ইনফেকশনের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। স্ক্রাবটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া, ১-২ টি জাফরান, এক চা চামচ চন্দন গুঁড়া, এক চা চামচ বেসন ও দুই চা চামচ সরিষার তেল। এই সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করতে হবে। স্ক্রাবটি আক্রান্ত স্থানে হালকাভাবে ম্যাসাজ করে মিনিট দশেক রেখে দিয়ে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ বার স্ক্রাবটির ব্যবহারে ইনফেকশনের সমস্যা কয়ে আসবে ও ত্বক দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।

ত্বকের দাগ দূর করতে সরিষার তেল

এই ফেস প্যাকটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক টেবিল চামচ বেসন, দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল,  এক চা চামচ লেবুর রস ও দুই টেবিল চামচ দই। একসাথে সকল উপাদান ভালোভাবে মেশানোর পর মিশ্রণ তৈরি হলে সেটা মুখ ও গলার ত্বকে সমানভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজ শেষে পনের মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

ব্রণের সমস্যায় সরিষার তেল

অনেকেই জানেন না, সরিষার তেল ব্রণের সমস্যা দূর করতে উপকারী। অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান সমৃদ্ধ এই তেলে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড জেদি ব্রণ ও অ্যাকনের সমস্যা কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারের জন্য এক কাপ নারিকেল তেলের ভেতর এক চা চামচ সরিষা তেলের বীজ ফুটিয়ে এরপর তেলটি ছেঁকে নিতে হবে। এই তেলটি ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে হালকা ধাঁচের ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে।


স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে সরিষা তেলের উপকারিতা

স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে সরিষা তেলের উপকারিতা

 ভোজ্য তেলের ভেতরে সরিষার তেলের গ্রহণযোগ্যতা ও খাদ্য উপযোগিতা বরাবরই বেশি। অনেকেই তাদের প্রতিদিেনের রান্নার কাজে সরিষার তেল ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই সরিষার তেলে রয়েছে বেশকিছু উপকারিতা। কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা যায় যে সরিষা তেলে একটি বিশেষ ধরনের উপাদান আছে যা কলোরেক্টাল এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।আগের যুগের দাদি-নানিরা ত্বকের যত্নে সরিষার তেল ব্যবহার করতেন। বর্তমানে এই তেল শুধু রান্নার কাজে ব্যবহার করা হলেও রূপচর্চায় এর গুণাগুণ কোনো অংশে কম নয়। ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উত্‍স হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়।

এর ঔষধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিত্‍সায় ব্যবহার হয়ে আসছে এই তেল। ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য সরিষার তেলের অসাধারণ উপকারী।সামান্য কাটা ছেঁড়ায় এন্টিসেপটিক এর কাজ করে। সরিষার তেল সন্ধিস্থলের ব্যথা হ্রাস করে। সরিষা তেল শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়।

নিদ্রাহীনতা ও ক্যান্সার প্রতিরোধক। শরীরে ব্যথা কমায়। শ্বাসকষ্টের প্রদাহ হ্রাস করে। রক্ত সঞ্চালন, হজম প্রক্রিয়া এবং হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

সরিষার তেল আপনার শরীরের পাচক রস নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্ষুধা বাড়ে। সরিষা তেল চুলকে ঝলমলে করে তোলে, খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সরিয়া তেল চুল এবং মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন।

এটি চুল পাকা রোধ করবে। সরিষা তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সরিষার তেল অনেক কার্যকরী।

সরিষা তেল মাথা ব্যথা কমায়। শুষ্ক ত্বক মসৃণ ও কোমল করে। ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বকের প্রদাহ দূর করে। শীতের সময় সরিষার তৈল মাখলে ত্বক সুন্দর থাকে।

পোকামাকড় সরিষার তেল সহ্য করতে পারে না। এই তেল ব্যবহার করে পোকামাকড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে সরিষা তেল। নাকের বদ্ধভাব দূর করে।

কানের ব্যথায় কানের ড্রপের বিকল্প। সামান্য কাটা ছেঁড়ায় অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে। নিয়মিত এই তেল মালিশ করলে বাতের ব্যথায় উপকার পাওয়া যায়। দাঁত মজবুত করে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে সরিষা তেল।এবার গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপকারিতার একটি তালিকা দেখে নিনঃ ১.

ওমেগা ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধি: বিশ্ব সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে সরষের তেল ওমেগা ত্রি এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধি, যা জয়েন্ট পেন এবং ডিপ্রেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: সরষের তেলে উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে মনোযোগ বৃদ্ধি এবং সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে।

৩. শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে সরষের তেলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। সেই সঙ্গে শরীরের প্রতিটি কোণায় যাতে ঠিক মতো রক্ত পৌঁছে যেতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখে। ৪.

হার্টের বন্ধু: এক্ষেত্রে চিকিত্‍সকদের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে ঠিকই। কিন্তু একাধিক গবেষণায় একতা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত সরষের তেল খেলে হার্টের কোনও ক্ষতি হয় না। বরং হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে হঠাত্‍ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫. ডিপ ফ্রাই করার জন্য আদর্শ: আমরা মানে বাঙালিরা যেহেতু বেশিরভাগ খাবারই উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করে থাকি তাই আমাদের জন্য সরষের তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আজকাল অনেকে বাঙালিই স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু একথা জেনে রাখা ভাল যে রকমের খাবার আমরা খেয়ে থাকি তা বানাতে অলিভ অয়েল একেবারেই আদর্শ নয়।

কারণ কম তাপমাত্রায় বানানো খাবারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু যেসব খাবার বেশি আঁচে বানানো হয়, তাতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরের ভাল হওয়ার থেকে খারাপ হয় বেশি। ৬. ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচায়: আজও ঠাকুমা-দিদিমারা নাতি-নাতিনিরা ছোট থাকতে সরষের তেল মাখিয়ে থাকেন। কেন এমনটা করে জানেন? কারণ ঠান্ডা লাগা এবং সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে একাধিক রোগের হাত থেকে বাঁচাতে এই তেলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।


Tuesday, August 16, 2022

শীতে ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হবে নিমেষেই, নিয়মিত ব্যবহার করুন সরিষার তেল!

শীতে ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হবে নিমেষেই, নিয়মিত ব্যবহার করুন সরিষার তেল!

 শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। তাই ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। শুষ্ক ও প্রাণহীন ত্বককে নরম-উজ্জ্বল করতে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। Mustard Oil Benefits For Skin In Winter মুখে সরিষার তেল দিয় মালিশ করলে ত্বকের অনেক উপকার হয়। সরিষার তেলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা ত্বকের অনেক সমস্যা দূর করে। সরিষার তেল ব্যবহার করে ত্বকের দাগও কমে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, ত্বকের যত্নে সরিষার তেলের উপকারিতা

 ত্বকের দাগ দূর করে সরিষা তেল ত্বকের দাগ দূর করে সরিষা তেল শীতকালে ত্বকের যত্নে সরিষার তেল খুবই কার্যকর বলে মনে করা হয়। কালো দাগ দূর করতে এক চামচ বেসন নিয়ে তাতে দুই চামচ দই মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণে আধা চা চামচ সরিষার তেল দিন। ঘরে তৈরি এই ফেসপ্যাকটি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। সপ্তাহে একবার ঘরে তৈরি এই ফেস মাস্কটি ব্যবহার করুন। এই ফেসপ্যাক ব্যবহারে মুখের কালো দাগ দূর হবে, পাশাপাশি ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল হবে। ফাইন লাইনস-এর জন্য সরিষার তেল ফাইন লাইনস-এর জন্য সরিষার তেল শীতে ত্বকের যত্ন এবং ফাইন লাইনস কমাতে সরিষার তেল খুবই কার্যকর বলে মনে করা হয়। বলিরেখা কমাতে হালকা গরম তেল নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করার পরে, একটি সুতির কাপড় ভিজিয়ে অতিরিক্ত তেল মুছে ফেলুন। ফল পাবেন হাতেনাতে! আরও পড়ুন :উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন সরিষার তেলের ফেস প্যাক ত্বকের ট্যান দূর করতে সরিষার তেল ত্বকের ট্যান দূর করতে সরিষার তেল শীতকালে রোদে বসার কারণে ত্বকে ট্যান পড়ে যায়। ত্বকের সুরক্ষায় রাসায়নিক সানস্ক্রিনের পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। সরিষার তেলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বকের ট্যান দূর করতে খুবই সহায়ক। ত্বকের ট্যান দূর করতে এক চামচ সরিষার তেল নিন। এই তেলে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। লেবুর রসে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করবেন না, তার পরিবর্তে দই ব্যবহার করতে পারেন। এটি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন, ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।


যেভাবে বুঝবেন সরিষার তেল আসল না নকল

যেভাবে বুঝবেন সরিষার তেল আসল না নকল

 রান্নার ক্ষেত্রে অনেকেই সয়াবিন তেল ব্যবহার করে থাকেন। তবে এখন অনেকেই অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেন। আবার অনেকে এখনও সরিষার তেলই ব্যবহার করেন। তারা দাবি করেন, এতে খাবারে তীব্র সুভাস বা স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। তবে সরিষার তেল রান্নায় স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরিষার তেল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং পাশাপাশি এটি ত্বক এবং চুলের জন্যও খুব উপকারী।
এ তেলে রয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল উপাদান, যা বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সরিষার তেল বিদ্যমান ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের বিভিন্ন ব্যথা, যন্ত্রণায় উপশম ঘটাতে সাহায্য করে।

বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, শরীরের ক্যানসার কোষগুলো দ্রুত ধ্বংস করতে এ তেলের ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি এটিতে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদপিণ্ডের জন্যও দারুণ উপকারী। যা বিভিন্ন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া শীতের মৌসুমে ঠান্ডা লাগার হাত থেকে শরীরকে রক্ষাও করে সরিষার তেল।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরিষার তেল কেনার সময় অবশ্যই পরীক্ষা করে কিনতে হবে এটি আসল না নকল। তবে কীভাবে জানবেন এটি আসল না নকল? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

সর্ষের তেল দোকান থেকে কেনার পর ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর যদি দেখেন, সরিষার তেলের উপর সাদা রঙের কোনো আস্তরণ দেখা দিয়েছে, তাহলে বুঝে নিতে হবে সেটি নকল তেল।

কেনার সময় কয়েক ফোঁটা হাতের তালুতে নিয়ে ভালোভাবে ঘষুন। যদি কোনো গন্ধ পান বা হাতের রঙ বদলে যায়, তাহলে বুঝবেন সেটিতে অন্য কোনো উপাদান মেশানো রয়েছে। সেই সরিষার তেল ১০০ শতাংশ আসল নয়।

সূত্র: এবিপি আনন্দ


Friday, June 24, 2022

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল

সরিষার তেল বা সর্ষের তেল সর্ষের বীজ নিষ্পেষণ দ্বারা প্রস্তুত তেল। এই তেল রান্নার জন্যে, এবং গায়ে মাখা বা মালিশ করার কাজে ব্যবহার হয়। সর্ষের তেলের ঝাঁঝের জন্যে সর্ষের তেলের রান্নার আলাদা বিশেষত্ব আছে।

সর্ষের তেলের ঝাঁঝের কারণ অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট নামক একটি উদ্বায়ী সালফারযুক্ত যৌগ। সর্ষের তেল যদি পানির সংস্পর্শে না আসে তাহলে কিন্তু তাতে ঝাঝঁ হয় না। তাজা সর্ষের তেলে অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট থাকে না, থাকে সিংগ্রিন নামে তার গ্লুকোসিনোলেট যৌগ। জল বা অ্যাসিডের সাথে মিশ্রণ বা আলোড়নের ফলে মাইরোসিনেজ নামে একটি উৎসেচক সক্রিয় হয়ে সিংগ্রিন থেকে গ্লুকোজ আলাদা করে দিয়ে ঝাঁঝালো অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট তৈরি করে।
সিংগ্রিন
ঝাঁঝালো অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট
সর্ষের তেলকে পাতন করলেও উচ্চতাপে মাইরোসিনেজ সক্রিয় হয়ে যায় ও অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট উবে যায়, পরে তাকে ঘনীভূত করে এই গন্ধ তেল (অ্যালাইল আইসোথায়োসায়ানেট) পাওয়া যায়। অ্যালাইল আইওডাইড ও পটাসিয়াম থায়োসায়ানেটের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারাও কৃত্রিম ভাবে এটি প্রস্তুত করা যায়। এটিকে কৃত্রিম সর্ষের তেল বলে। এটি খাবারে সর্ষের তেলের গন্ধ দেবার জন্যে ব্যবহার হয়।

Monday, June 20, 2022

খাঁটি সরিষার তেলের

খাঁটি সরিষার তেলের

 কিন্তু গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, মানুষের ওপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই। বরং অন্য সব তেলের তুলনায় অন্যতম স্বাস্থ্যকর তেল হিসেবে বিবেচনা করা হয় একে। অন্যান্য তেলের তুলনায় এতে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। জেনে নিন খাঁটি সরিষার তেলের এক ডজন গুণাগুণ।


সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

 সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে। সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত।


 সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত

সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত

 সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত এবং অন্ত্রে পাচক রস উত্পাদনে সাহায্য করে, তাই হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এছাড়াও একই প্রক্রিয়ায় আমাদের সিস্টেমে পাচক রস উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়িয়ে ক্ষুধা সহায়তা করে। এছাড়াও সরিষা তেল ঠান্ডা এবং কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। এটি শ্বাসযন্ত্রের নালীর থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে।


Sunday, June 19, 2022

দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।

দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।

 আসুন সচেতন হই। বিদেশী তৈল সয়াবিন বাদ দিয়ে আবার আমদের নিজেদের চাষ করা শরিষার তৈল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হই। তাহলে আবার আমরা সেই সোনালী দিনে ফিরে যেতে পারবো। না হলে বিদেশীরা আমাদের ধ্বংস করে ফেলবে। সেই স্লোগান আবার হবে দেশীয় পন্য খেয়ে হই ধন্য।।